Psychic Power দ্বারা সমস্ত pain management করা যায়
আমাদের শারীরিক মানসিক সমস্ত ব্যথা বেদনা দূর করতে মানসিক শক্তিকে একটি বিশেষ হাতিয়ার রুপে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমাদের মন যে একটি শক্তি এবং তা বাহ্যিক আন্তরিক সমস্ত ক্ষেত্রে যে সমান প্রভাবশালী সেটি প্রথমে প্রমাণ করা যাক। নীচের ভিডিওটি একবার মন দিয়ে দেখুন, আপনার দুই চোখ খুলে যাবে।এই এক্সপেরিমেন্টটি আপনিও বাড়িতে প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। গ্লাসে কোন বীজ না নিলেও চলবে। শুধু তিনটি গালসে জল নিতে পারেন। রেজাল্ট একই আসবে।
আপনার মনে মারাত্মক কিছু শক্তি লুকিয়ে আছে তা সামান্য কয়েকটি
অভ্যাসের মাধ্যমে জাগিয়ে তুলতে পারেন। এই অধ্যায়ে
তারই আলোচনা হবে।
অগ্নি, জল, বায়ু,
মৃত্তিকা এবং আকাশ এই পাঁচটি উপাদানে আমরা তৈরি।
অগ্নি - অগ্নি হল আমাদের শরীরের তাপমাত্রা যার পরিমাপ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর থেকে কখনও কম বা বেশী হবে না।
জল – আমাদের শরীরের মোট ওজনের ৭০ শতাংশই হলো জল। এর পরিমাণ প্রায় ৪০ থেকে ৪২ কেজি।
বায়ু – আমাদের বেঁচে থাকার জন্য ৬৫%
অক্সিজেন প্রয়োজন যা আসে বায়ু থেকে।
মৃত্তিকা – এই শারীরিক গঠনের জন্য যে সকল উপাদান
একন্ত প্রয়োজন যেমন, কার্বন, হাইড্রজেন,
নাইট্রজন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস,
পটাশিয়াম, সালফার, সডিয়াম,
ক্লোরিন, ম্যগ্নেশিয়াম ইত্যাদি। তা সবই আমরা মাটি থেকেই পরক্ষ ভাবে ফল, শকসব্জি ইত্যাদির মাধ্যমে পায়ে থাকি।
আকাশ – উপরের সবকটি উপাদানকে যে ধারণ করে আমাদের
এই স্থুল শরীরটি গঠন করেছে তাই হল আকাশ। এক কথাই যদি বলা যায় আকাশ কি ? তবে বলা যায় আকাশ হল আমাদের ফ্রিকয়েন্সি ও ভাইব্রেশন। একে বিজ্ঞানের ভাষায় ইথার বলা হয়। এই আকাশ বা ইথারই আমাদের কে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত বিষয়
বস্তুর সাথে যুক্ত করে রেখেছে। আপনি বুঝতে
পারুন বা না পারুন আপনার ইচ্ছা আপনার ভাবনা প্রত্যক্ষ ও পরক্ষ ভাবে কোন না কোন বস্তুর
উপর প্রভাব ফেলে চলেছে।
ইথারকে নিয়ে প্রথম গবেষণা শুরু করেন মাইকেলশন ও মরলি নামে দুই বিজ্ঞানী ১৮৮৭ সালে। যা বিজ্ঞানের শাখায় বিখ্যাত The
Michelson–Morley experiment নামে পরিচিত। কিন্তু তৎকালীন উন্নত প্রযুক্তির অভাবে ইথারকে প্রমাণ করা সম্ভব
হয়নি। এই একই এক্সপেরিমেন্ট ১০০ বছর পরে ১৯৮৭ সালে
করা হয় আমেরিকা যুক্ত রাজ্যের নেভি বিভাগে, যাতে সম্পূর্ণ ভাবে প্রমানিত
হয় যে, ইথার কোন কাল্পনিক বিষয় নয়, এর অস্তিত্ব
আছে এবং আমরা এর মধ্যেই জীবন ধারণ করে চলেছি। এই ইথারই আমাদেরকে একে অন্যের সাথে যুক্ত করে রেখেছে। তাই আমি যেমন আপনার কষ্ট, ব্যথ, আনন্দকে অনুভব করতে পারব আপনিও ঠিক তেমনই আমার সমস্ত অনুভুতিকে অনুভব করতে
পারবনে। সে আপনি পাশে থাকুন বা হাজার হাজার
কিমি দূরে থাকুন, এই অনুভুতির কোন পার্থক্য হবে না।
আপনার কোন দৃঢ় কল্পনা যদি প্রতিনিয়ত মন্ত্রের মতো জপ হতে থাকে
তবে খুব শীঘ্রই সেটি বাস্তবতার রুপ নিতে শুরু করবে। উপরের এক্সপেরিমেন্টটি তাই প্রমাণ করে। প্রথমদিন কিছু রেজাল্ট আসেনি, দ্বিতীয় দিন তেমন কিছু না, তৃতীয় দিন সামান্য কিছু পার্থক্য
আসতে শুরু করে তারপরে সপ্তম দিনে একটি কল্পনা বাস্তব রুপ নিয়ে ফেলে। আমাদের প্রতিটি চিন্তা এবং কল্পনার একটি বাস্তব অস্তিত্ব বা Factual
Existence আছে। একে একটা
ফরমুলার ভাষায় বলতে পারেন – “Your
imaginary pictures more clearly and sustain them longer in your inner mind
- The longer a clear thought is held,
the more it solidifies and the nearer it comes to materialization.”
এই চিকিৎসায় এটিই আপনার সাফল্যের ফরমুলা। একে অভ্যাস করে যতো ভালো ভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন ততই জটিল
থেকে জটিল রোগ ব্যথা বেদনা কমিয়ে আনতে পারবেন। এর পরবর্তী অংশে আমরা এক একটি রোগকে কি ভাবে এই ফরমুলায় ফেলে
আরোগ্য লাভ করতে পারবো তা আলোচনা করা হবে।
